old man-womenEducation Lifestyle Others 

গতিশীল সমাজে প্রবীণ-প্রবীণারা নিঃসঙ্গ

বয়স বাড়ছে আর নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতে হচ্ছে প্রবীণ নাগরিকদের। সমাজ মাধ্যমে এই নিয়ে কখনও কখনও লেখা চোখে পড়ছে। কষ্ট করে ছেলে-মেয়ে মানুষ করে বৃদ্ধ বাবা-মাকে কেউ দেখে না। সন্তান-সন্ততিরা বিদেশে পাড়ি দিয়েছে। আমাদের দেশে প্রবীণ-প্রবীণাদের সামাজিক অবস্থার চিত্রটি খুবই উদ্বেগের। ঘরের সমাজে তাঁরা হয়ে পড়েন কোনঠাসা। কোথাও কোথাও বৌমা-ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। বাইরের জগতেও তাঁরা নানা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে পড়েন। বাড়ির বয়স্করা একটা সময় ছিলেন কর্তা-কর্ত্রী। সময়ের বদলে বয়স বাড়তেই হয়ে পড়েন “বোঝা”। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়,সংসারে তাঁরা
আর্থিক ভূমিকা পালন করতে পারেন না বলেই তাই এই দুর্দশা। ছেলে-মেয়ের সংসার চালানো এবং বাবা-মায়ের সংসার চালানোর মধ্যে আন্তরিকতা উধাও হয়ে যায়। অন্যদিকে একান্নবর্তী পরিবার এখন আর নেই বললেই চলে। পরিবার কাঁচের বোতলের মতো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে পড়েছে।

বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের একা হয়ে পড়ার নেপথ্যে রয়েছে সংসারের কলহ। প্রবীণদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় কারও নেই। নাতি-নাতনীদের হাতেও সময় নেই। বর্তমান সময়ে গতিশীল সমাজে সময়ের বড় অভাব। প্রবীণ-প্রবীণাদের জন্য সময় বার করা “সময় অপচয়” বলে মনে করা হয়। প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মের এতো তফাৎ,ভাবা যায় না। মুখাপেক্ষী হয়ে বার্ধক্য অতিবাহিত করা একটা যন্ত্রণার। আত্মকেন্দ্রিক গতিশীলতার একটা যুগ। শেষ বয়সটা একটু শান্তিতে কাটাক সেটা কি চান না ! (আপনার মতামত প্রত্যাশা করি)

Related posts

Leave a Comment